ঢাকাশনিবার , ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৩
  1. ! Without a column
  2. 1
  3. avi feb
  4. Belugabahis bahis sitesi feb
  5. blackjack-deluxe
  6. bonan feb
  7. casinomhub giris
  8. goo feb
  9. last-news
  10. mars feb
  11. Marsbahisgiris feb
  12. most feb
  13. New Post
  14. News
  15. onwin feb

ভাণ্ডারিয়ায় প্রাথমিক শিক্ষায় নানা সংকট

কে এম তারেক অপু
সেপ্টেম্বর ১৬, ২০২৩ ৬:৩১ অপরাহ্ণ
Link Copied!

শিক্ষা কর্মকর্তাসহ শিক্ষক ও কর্মচারীর অভাবে পাঠদানে সমস্যা
সমাচার প্রতিবেদক, ভাণ্ডারিয়া ॥ পিরোজপুরের ভাণ্ডারিয়া উপজেলার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক, সহকারী শিক্ষক, উপজেলা শিক্ষা অফিসার, দুই সহকারি শিক্ষা অফিসারসহ গুরুত্বপূর্ণ পদে জনবল সংকটের কারনে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষায় নানা সংকট বিরাজ করছে। এছাড়া ১২টি বিদ্যালয়ে ম্যানেজিং কমিটি নিয়ে নানা দ্বন্দসহ শিক্ষক সংকট রয়েছে। প্রধান শিক্ষক ৩৭ জন, ৯৭ জন সহকারি শিক্ষকের পদ দীর্ঘদিন ধরে শূণ্য থাকায় সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয় গুলোতে পাঠদান ব্যাহত হচ্ছে। সেই সাথে প্রাক প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোর শ্রেণী কক্ষ নাজুক অবস্থা বিরাজ করছে।
জানাগেছে, ভাণ্ডারিয়া উপজেলা শিক্ষা দপ্তরে টানা ২০ বছর ধরে হিসাব সহকারী পদ শূণ্য, এছাড়া দীর্ঘ দিন অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর পদও শূণ্য, ২০১৬ সাল থেকে অফিস সহায়ক পদ শুন্য রয়েছে। উপজেলার ১২টি প্রাথমিক বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটি নিয়ে আভ্যন্তরীণ দ্বন্দ ও মামলার কারনে সংশ্লিষ্ট বিদ্যায়লয় গুলোতে উন্নয়ন মূল কার্যক্রমসহ শিক্ষায় নানা সমস্যা বিরাজ করছে। উপজেলায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ১৬৫টি এর মধ্যে ১৬৩টি বিদ্যালয় চালু থাকলেও ১৬৩টি প্রধান শিক্ষক পদের মধ্যে ১২৬ জন কর্মরত রয়েছেন। বাকি প্রধান শিক্ষকের ৩৭টি পদ শূন্য । এছাড়া সহকারী শিক্ষক ৮১৫ জন এর মধ্যে কর্মরত আছেন ৭১৮ জন । ৯৭ জন শিক্ষকের পদ শূণ্য ।
১০০টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের খেলার মাঠ নেই। ফলে শিক্ষার্থীদের খেলাধূলা ও বিনোদনের কোনো সুযোগ নেই। প্রত্যন্ত এলাকার স্কুলে আসা যাওয়ার সড়কেরও বেহাল দশা।
শুধু এ বিদ্যলয়টিই নয় উপজেলার ১০০টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে খেলার জন্য উন্মুক্ত মাঠ না থাকায় খেলাধুলার সুযোগ পাচ্ছেনা শিশুরা। টিফিন কিংবা বিরতির সময় শ্রেণিকক্ষে বসেই সময় পার করতে হয় শিক্ষার্থীদের। মাঠের অভাবে বিদ্যালয়গুলোতে শিক্ষার্থী সমাবেশ, বার্ষিক ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা অসম্ভব হয়ে পড়ে। এতে করে ছাত্রছাত্রীরা খেলাধুলা ও চিত্তবিনোদন থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। ফলে শুরু থেকেই দুর্বল ভাবে বেড়েওঠা এই শিশুদের মানসিক বিকাশ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।
সরেজমিনে দেখা গেছে, ১৯ নম্বর পশ্চিম চরখালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কাম সাইক্লোন সেল্টার পাঁচটি কক্ষের দুটি পাকা ভবন আছে। অপরদিকে বিদ্যালয় জমি থেকে রাস্তা চলে যাওয়া খেলার মাঠটি বন্ধ হয়ে যায় । ফলেশিক্ষার্থীরা খেলাধুলা ও চিত্তবিনোদন থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।
বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণিরশিক্ষার্থী হাবিবা আক্তার বলেন, বিদ্যালয়ে আসি ক্লাস করি, কিন্তু অন্য স্কুলে খেলার মাঠ থাকলেও আমাগো স্কুলে নাই। মাঠ না থাকায় খেলতে পারিনা।
পশ্চিম চরখালী সরকারি প্রাাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আজমেরী পারভীন বলেন, বিদ্যালয়ের জমিতে নতুন সাইক্লোন শেল্টার ও সড়ক তৈরি হওয়ায় খেলার মাঠ নেই। বর্তমানে শিশুরা খেলাধুলা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। এমনকি এসেম্বলি করতে হয় বিদ্যালয়ের বারান্দায়। ফলে উপজেলা ও জেলা পর্যায়ের বিভিন্ন খেলাধুলা প্রতিযোগীতায় পিছিয়ে পড়েছে এই বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।
পৌর শহরের ১৫৪ পূর্ব লক্ষিপুরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রায় ১০০ জনশিক্ষার্থীর জন্য পাকাভবন ও শৌচাগার নির্মাণ করা হয়েছে, কিন্তু খেলারমাঠ নেই। এমনকি অ্যাসেম্বলি করা স্থান সংকট।
ওই বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির শিক্ষার্থী মনি মুক্তা বলে, টিভিতে দেখি মেয়েরা ফুটবল খেলে, ক্রিকেট খেলে। আমরা খেলতে পারিনা।
শহরের ১৬৪ নম্বর দক্ষিণ পূর্ব পশারিবুনিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সীমা রানী বলেন, মাঠের অভাবে শিশুরা খেলাধুলা করতে পারেনা। ফলে তারা উপজেলা পর্যায়ের কোনো খেলায় অংশগ্রহণও করতে পারেনা। জাতীয় সংগীত স্কুলের বারান্দায় দাড়িয়ে গাইতে হয়।
এ ব্যাপারে ভাণ্ডারিয়া উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মো. মিরাজুল ইসলাম বলেন, চাইলেও উল্লিখিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে মাঠের ব্যবস্থা করা সম্ভব নয়। কেননা ওই স্কুলগুলোতে জায়গা নেই। তবে এসব বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা যাতে অন্য মাঠে সমন্বয় করে খেলাধুলা করতে পারে সে বিষয়ে শিক্ষাকর্মকর্তার সঙ্গে আলোচনা করে সমাধানের চেষ্টা করা হবে।
এ বিষয়ে ভাণ্ডারিয়া উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) মো. নজরুল ইসলাম মোল্যা বলেন, ভাণ্ডারিয়া পৌর এলাকাসহ উপজেলার ছয়টি ইউনিয়নে ১৬৩ টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় চালু রয়েছে। এর মধ্যে ১০০টি বিদ্যালয়ে খেলার কোনো মাঠ নেই। নিয়মানুযায়ী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় স্থাপন করতে হলে ৩৩ শতক জমি প্রয়োজন। নতুন ভবন নির্মাণ করায় জমি কমে যায়। এ কারনেই অধিকাংশ বিদ্যালয়য়ের মাঠ কমে যায় ফলে শিক্ষার্থীদের খেলাধুলা ও চিত্তবিনোদন থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।