ঢাকাবুধবার , ৪ অক্টোবর ২০২৩
  1. 1
  2. avi feb
  3. Belugabahis bahis sitesi feb
  4. blackjack-deluxe
  5. bonan feb
  6. casinomhub giris
  7. goo feb
  8. last-news
  9. mars feb
  10. Marsbahisgiris feb
  11. New Post
  12. News
  13. onwin feb
  14. polskie-kasyna
  15. আইন-আদালত

পটুয়াখালীর চক্ষু হাসপাতালে ডাক্তারের ভিজিট নিলেও রোগী দেখছেন প্রতিষ্ঠানের সহকারী

কে এম তারেক অপু
অক্টোবর ৪, ২০২৩ ৬:০৩ অপরাহ্ণ
Link Copied!

মু,হেলাল আহম্মেদ(রিপন), পটুয়াখালী ॥ পটুয়াখালী শহরস্থ কাজীপাড়া এলাকায় চক্ষু হাসপাতাল নামে একটি বেসরকারি চিকিৎসা কেন্দ্রে রোগীদের সঙ্গে প্রতারণার অভিযোগ উঠেছে। ডাক্তারের নামে রোগীদের কাছ থেকে ভিজিট নেওয়া হলেও মূলত মেডিকেল অ্যাসিস্ট্যান্টরা রোগী দেখে চিকিৎসাপত্র দিচ্ছেন সেবা স্থলে। স্বাস্থ্য বিভাগ বেশ কয়েকবার প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিলেও স্থায়ী প্রতিকার মিলছে না।
খোজ নিয়ে জানা যায়, পটুয়াখালী পৌরশহরের কাজীপাড়া এলাকায় হাসপাতালটির অবস্থান। এ প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে শুরু থেকেই রোগীদের সঙ্গে বিভিন্নভাবে প্রতারণা ও অপচিকিৎসার অভিযোগ আছে। চোখের ডাক্তার দেখাতে আশা রোগীদের কাছ থেকে চিকিৎসকের ভিজিট নিলেও প্রকৃতপক্ষে একজন মেডিকেল অ্যাসিস্ট্যান্ট রোগী দেখছেন। সম্প্রতি বিষয়টি রোগীদের কাছে প্রকাশ পেলে হাসপাতালে আগত রোগী ও স্বজনদের সঙ্গে বাগবিতণ্ডা সৃষ্টি হয়।
গত ২৬ সেপ্টেম্বর শহরের সবুজবাগের ৯ নম্বর লেনের বাসিন্দা জুনায়েদ আহমেদ নাসিম (২২) নামে এক যুবক পটুয়াখালী চক্ষু হাসপাতালে যান। দুপুর ২টার দিকে ২০০ টাকা কাউন্টারে জমা দিয়ে ডাক্তারের রুমে প্রবেশ করেন। ভেতরে থাকা ব্যক্তির আচরণ কিছুটা বিব্রতকর হলেও ডাক্তার জাহাঙ্গীরের সই করা চিকিৎসাপত্র নিয়ে বের হন।
হাসপাতালের সামনে থাকা ফার্মেসিতে ওষুধ কিনতে গেলে চিকিৎসাপত্র দেখে ফার্মেসি কর্তৃপক্ষ জানায়, চিকিৎসাপত্রটি যিনি দিয়েছেন তিনি আসলে কোনো ডাক্তারই না। তিনি মেডিকেল অ্যাসিস্ট্যান্ট তার নাম জাহাঙ্গীর আলম। আর এরপরই ভুক্তভোগী ওই যুবক আবারও হাসপাতালে গিয়ে কেন তার সঙ্গে প্রতারণা করা হলো সে বিষয়ে জানতে চান। এতেই স্টাফরা তার সঙ্গে বাগবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন। এরপর ওই যুবককে ডাক্তারের ভিজিট বাবদ নেওয়া ২০০ টাকা ফেরত দেওয়া হয়।
ভুক্তভোগী নাসিম বলেন, চোখের মতো একটি সেনসিটিভ অর্গানের চিকিৎসার নামে তারা যা করছে তা শুধুই প্রতারণা। আমি এ বিষয়ে সিভিল সার্জনের কাছে লিখিত অভিযোগ করবো।
এদিকে একইদিন পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার কালাইয়া ইউনিয়নের কপুরকাঠি গ্রামের বাসিন্দা তহমিনা বেগমও চোখের সমস্যা নিয়ে চিকিৎসার জন্য ডাক্তার দেখাতে পটুয়াখালীতে আসেন।
পটুয়াখালী চক্ষু হাসপাতালে ডাক্তার দেখানোর জন্য নির্দিষ্ট ফি দিয়ে টিকিট কাটার পর তাকেও নেওয়া হয় ডাক্তারের চেম্বারে। এরপর কথিত ওই ডাক্তার তহমিনাকে চিকিৎসাপত্র দেন। তবে পরে তারাও জানতে পারেন ডাক্তারের কথা বলে যাকে দেখানো হয়েছে তিনি মূলত মেডিকেল অ্যাসিস্ট্যান্ট।
অভিযুক্ত মেডিকেল অ্যাসিস্ট্যান্ট মো. জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ‘আমি রোগী দেখতে চাইনি। তবে কাউন্টার থেকে জোর করে আমার রুমে রোগী পাঠানো হয়েছে।
এ বিষয়ে জানতে চাইরে পটুয়াখালী চক্ষু হাসপাতালের পরিচালক মো. শহিদুল ইসলাম বলেন, বিষয়টি ভুল বোঝাবুঝি হয়েছে। আমরা সবাই নিজেরা নিজেরা। বিষয়টি ওভার লুক করে যান। নিউজ টিউজ করার দরকার নাই।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে পটুয়াখালী সিভিল সার্জন ডা. এস এম কবির হাসান জাগো নিউজকে বলেন, সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পেলে প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হবে। তবে এমনটি ঘটলে কোনো অবস্থাতেই গ্রহণযোগ্য হতে পারে না।
এ বিষয় হাসপাতালটির পরিচালক শহিদুল ইসলাম এর আগেও রোগীদের সঙ্গে প্রতারণার অভিযোগে একাধিকবার জেল-জরিমানার শিকার হয়েছেন। তবে জেলখানা থেকে বের হয়ে আবারও তিনি প্রতারণা চালিয়ে যাচ্ছেন তিনি।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।