ঢাকারবিবার , ২৩ জুলাই ২০২৩
  1. 1
  2. avi feb
  3. Belugabahis bahis sitesi feb
  4. blackjack-deluxe
  5. bonan feb
  6. casinomhub giris
  7. goo feb
  8. last-news
  9. mars feb
  10. Marsbahisgiris feb
  11. New Post
  12. News
  13. onwin feb
  14. polskie-kasyna
  15. আইন-আদালত

দক্ষিণাঞ্চলে ভাঙন আতঙ্কে নদীপাড়ের মানুষ

কে এম তারেক অপু
জুলাই ২৩, ২০২৩ ৬:১৯ অপরাহ্ণ
Link Copied!

সমাচার প্রতিবেদক ॥ বর্ষাকাল এলেই উৎকণ্ঠা বাড়ে দক্ষিণাঞ্চলের কোটি মানুষের। ঝড়-জলোচ্ছ্বাসের পাশাপাশি নদী ভাঙনের শিকার হয়ে প্রতিবছর গৃহহীন হয়ে পড়েছে লাখ লাখ পরিবার। ভূমিহীন এ পরিবারগুলো বেড়িবাঁধের ওপর আশ্রয় নেওয়া ছাড়াও জীবন-জীবিকার সন্ধানে পাড়ি জমায় রাজধানী ঢাকা কিংবা দেশের বড়ো বিভাগীয় শহরগুলোতে। নদী ভাঙনের তথ্য সংগ্রহ করতে গিয়ে দেখা গেছে, নদীর কড়াল গ্রাসে বিলীন হয়ে গেছে গ্রামের অনেক এলাকা। গৃহহারা হয়েছে কয়েক হাজার পরিবার। চলতি বর্ষা মৌসুমে বরিশালের ১৫৮টি ভাঙন ঝুঁকিপূর্ণ স্থান চিহ্নিত হয়েছে। প্রায় ২০ লাখ মানুষ আছেন নদী ভাঙনের আতঙ্কে। পদক্ষেপ নেয়ার প্রতিশ্রুতির ফুলঝুরিতে ক্ষুব্ধ ভুক্তভোগীরা। তবে পানি উন্নয়ন বোর্ডের দাবি, অনুমোদনের অপেক্ষায় থাকা ৮৫৪ কোটি টাকার প্রকল্প ও চলমান ১২টি প্রকল্প বাস্তবায়ন হলে নদী ভাঙন অনেকাংশে কমে আসবে। কীর্তনখোলা নদীর প্রবল ভাঙনে একের পর এক বিলীন হয়েছে বরিশাল সদর উপজেলার চর কাউয়া ইউনিয়নের বেশ কয়েকটি গ্রাম। এ বছরও বরিশাল বিভাগের ১৩টি নদ-নদী গিলে খাচ্ছে ৪০টি উপজেলার প্রায় ২০ লাখ মানুষের বসতবাড়ি, ফসলি জমিসহ বিস্তীর্ণ এলাকা। বসতভিটা হারিয়ে অনেকের ঠাঁই হয়েছে অন্যের জমিতে। তাই জনপ্রতিনিধি আর স্থানীয় প্রশাসনের বিরুদ্ধে ক্ষোভের শেষ নেই ভুক্তভোগীদের। বরিশালে চরকাউয়া ইউনিয়নের সরদার বাড়ি ২নং ওয়ার্ডের নুর আলম নামে এক দিন মজুর বলেন, ‘আগে আমাদের ধানের জমি ছিল। কিন্তু নদী ভাঙনে সব শেষ। এখন কোনো রকম বাড়িটা টিকে আছে। মনেহয় এ বছর ভাঙনে বাড়িও নদীতে চলে যাবে।’ চরকাউয়া ইউনিয়নের আর এক বাসিন্দা মমতাজ বেগম জানান, আমাদের পানির জন্য ঘর দুয়ারে থাকতে পারি না রাস্তা নেই,ছেলে মেয়েরা স্কুলে যেতে পারে না পানিতে সব সময় ভরা থাকে এতে আমাদের অনেক দুর্ভোগ প্রহাতে হয়। সরকার থেকে আমারা কোন সাহায্য পাইনা তাই সরকারের কাছে দাবী যাতে আমাদের নদী ভাঙলে যাতে ব্যবস্থতা নেয়। পটুয়াখালীর রাঙাবালি এলাকার বাসিন্দা রিয়াজুল করিম বলেন, ‘বাঁধের অবস্থা ভালো না। এরমধ্যে ভাঙন শুরু হয়েছে অনেক জায়গায়। নদীর পানিও প্রতিদিন বাড়ছে। আমরা অসহায় হয়ে পড়ছি।’ বরিশালের মেহেন্দীগঞ্জ এলাকার বাসিন্দা মনজুরুল করিম বলেন, ‘প্রতি বছর নেতা আর সরকারি কর্মকর্তারা জানান নদী ভাঙন রোধে পদক্ষেপ নিচ্ছেন। আসলে কোনো পদক্ষেপ চোখে পড়ছে না। আমরা খুবই সমস্যায় আছি।’ বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন বরিশালের সমন্বয়ক রফিকুল আলম জানান, প্রতি বছর আষাঢ়-শ্রাবণ মাসে বর্ষার দাপটে নদ নদীতে উজানের পানির চাপ বাড়ে। সৃষ্টি হয় নদী ভাঙন। দ্রুত কার্যকরী পদক্ষেপ নেয়ারও দাবি তার। বরিশাল বিভাগীয় পানি উন্নয়ন বোর্ডের প্রধান প্রকৌশলী মজিবুর রহমান বলেন, বিভাগের ৬ জেলায় ১৫৮টি ভাঙন ঝুঁকিপূর্ণ স্থান চিহ্নিত হয়েছে। ৮৫৪ কোটি টাকার প্রকল্প অনুমোদন হলে ভাঙন অনেকাংশে কমে আসবে।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।