ঢাকাশুক্রবার , ১৬ জুন ২০২৩
  1. ! Without a column
  2. 1
  3. avi feb
  4. Belugabahis bahis sitesi feb
  5. blackjack-deluxe
  6. bonan feb
  7. casinomhub giris
  8. goo feb
  9. last-news
  10. mars feb
  11. Marsbahisgiris feb
  12. most feb
  13. New Post
  14. News
  15. onwin feb

মেয়র সাদিক বরিশালে আসছেন!

কে এম তারেক অপু
জুন ১৬, ২০২৩ ৩:২১ অপরাহ্ণ
Link Copied!

বিজয়ের তিন দিন পরও দেখা হলো না ২ ভাইয়ের
সমাচার প্রতিবেদক // বরিশাল সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদে বিজয়ের পর খোকন সেরনিয়াবাত ও আবুল হাসানাত আবদুল্লাহর মধ্যে দেখা-সাক্ষাৎ হবে বলে শুভাকাঙ্ক্ষীরা আশা করেছিলেন। কিন্তু বিজয়ের তিন দিন পরও দুই ভাইয়ের দেখা হলো না। পূর্ণমন্ত্রীর মর্যাদায় পার্বত্য শান্তি চুক্তি বাস্তবায়ন ও পরিবীক্ষণ কমিটির আহ্বায়ক বড় ভাই হাসানাত আবদুল্লাহ এমপি ঢাকা আছেন। আর ছোট ভাই খোকন সেরনিয়াবাত বরিশালে আছেন। বরিশাল থেকে মাত্র ৩ ঘণ্টায় ঢাকায় পৌঁছানো গেলেও দুই ভাইয়ের দেখা-সাক্ষাৎ না হওয়াকে স্থানীয় আওয়ামী লীগের বিভক্তি হিসাবে দেখছেন অনেকে। এদিকে মহানগর আওয়ামী লীগ সভাপতি ও জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান একেএম জাহাঙ্গীর বলেছেন, সিটি মেয়র সাদিক আবদুল্লাহ খুব শিগগির বরিশালে ফিরছেন। সাদিকসহ মহানগর কমিটির সদস্যরা নবনির্বাচিত মেয়র খোকনের সঙ্গে দেখা করে তাকে শুভেচ্ছা জানাবেন।
একসময় বরিশাল আওয়ামী লীগে হাসানাত আবদুল্লাহ ও সাবেক মেয়র শওকত হোসেন হিরণের দ্বন্দ্ব ছিল। হিরণের মৃত্যুর পর তার অনুসারীরা কোণঠাসা হয়ে পড়েন। এরপর হাসানাত পুত্র সাদিক রাজনীতির মাঠে নিজের অবস্থান শক্ত করেন। ২০১৮ সালের নির্বাচনে সাদিক মেয়র হন। এরপর থেকে নগরে তার একচ্ছত্র আধিপত্য ছিল। সদ্য সমাপ্ত সিটি নির্বাচনে খোকন সেরনিয়াবাতের মনোনয়ন পাওয়ার মধ্য দিয়ে হিরণপন্থিদের আবার উত্থান ঘটে। আবার দুই ভাইয়ের পরিবারের বিরোধের বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে। নির্বাচনকালে মেয়র সাদিক একবারও এলাকায় আসেননি। আবার সাদিকবিরোধীদের নিয়ে খোকন প্রচার চালান। নির্বাচন পরিচালনা কমিটিতেও সাদিক অথবা হাসানাত অনুসারী কোনো নেতাকে রাখা হয়নি। নির্বাচনের আগের দিন পর্যন্ত বিভিন্ন গণমাধ্যমে দেওয়া সাক্ষাৎকারে খোকন নিজেকে একা বলে আক্ষেপ করেছেন। একই সঙ্গে তার অনুসারীদের অভিযোগ ছিল নৌকার বিরুদ্ধে সাদেক বা হাসানাতপন্থিরা গোপনে কাজ করছে। তবে এ বিরোধ নিরসনে কেন্দ্র থেকে একাধিক উদ্যোগ নেওয়া হয়। দলীয়ভাবে আওয়ামী লীগের নির্বাচন সমন্বয় কমিটি করা হয়। হাসানাত আবদুল্লাহকে কমিটির প্রধান করা হয়। পরপর দুটি বর্ধিত সভার মাধ্যমে জেলা ও বিভাগের নেতাকর্মীদের নৌকার পক্ষে কাজ করার নির্দেশ দেন হাসানাত। সাদিকও ভার্চুয়াল বক্তব্যে দলীয় নেতাদের মাঠে নামার নির্দেশ দেন। নৌকার বিজয় নিশ্চিত করতে তিনি সবকিছু করতে বলেন। গৌরনদীতে অনুষ্ঠিত আওয়ামী লীগের বর্ধিত সভায় ভাই হাসানাতের সঙ্গে খোকন আবেগঘন পরিবেশে কোলাকুলি করেন। দুই ভাইয়ের ছবি গণমাধ্যমে ছাপা হলে অনেকে স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত ভোটের মাঠে এর প্রতিফলন মেলেনি। সাদিকবিরোধীদের নিয়েই নৌকার প্রার্থী খোকন প্রচার চালান। এক মুহূর্তের জন্যও তিনি বড় ভাইয়ের লোকজনকে বিশ্বাস করতে পারেননি। খোকনের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য মহানগর আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মীর আমিন উদ্দিন মোহন বলেন, বিশ্বাস করার কারণও ছিল না। প্রতি মুহূর্তেই খবর পেয়েছি-ভেতরে ভেতরে নৌকার বিপক্ষে সাদিকপন্থিরা কাজ করছে। বরং এটাই ভালো হয়েছে-তাদের ছাড়া নৌকা বিপুল ভোটে জিতেছে।

১৫ এপ্রিল দলীয় মনোনয়ন পাওয়ার পর ১৭ এপ্রিল ঢাকায় সংসদ এলাকার বাসভবনে গিয়ে বড় ভাই হাসানাতের সঙ্গে খোকন দেখা করেন। এরপর ৪ জুন গৌরনদীতে আওয়ামী লীগের বর্ধিত সভায় দুই ভাইয়ের দেখা হয়। বরফ যে গলেনি তার প্রমাণ মিলেছে বিভিন্ন নির্বাচনি সভায় দেওয়া খোকনের বক্তব্যে। আগাগোড়া ভাতিজা মেয়র সাদিকের বিরুদ্ধে তিনি বলেছেন। সাদিক বিরোধিতাকে খোকনের জয়লাভের কারণ বলে বিশ্বাস করেন তার ঘনিষ্ঠ অনুসারীরা।

বিজয়ের পর সংবাদ বিজ্ঞপ্তি দিয়ে অভিনন্দন জানানো ছাড়া হাসানাত অথবা সাদিকের অনুসারীরা কিছুই করেনি। দুপক্ষ আদৌ এক হবে কি না-সেটাই আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে এখন বড় প্রশ্ন হয়ে দেখা দিয়েছে। পরিচয় গোপন রাখার শর্তে জেলা আওয়ামী লীগের এক নেতা বলেন, এমন অবস্থা হলে জাতীয় নির্বাচনে তা হবে দলের জন্য অশনি সংকেত। ভোটের মাঠে দুর্বল হবে আওয়ামী লীগ। এ ব্যাপারে জানতে খোকন সেরনিয়াবাতের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়। বেশ কয়েকবার ফোন দিলে তার ব্যক্তিগত সহকারী রুবেল হাওলাদার ধরেন। তিনি জানান, নতুন মেয়র খোকন খানিকটা অসুস্থ। ঠান্ডা, জ্বর ও সর্দিতে তিনি ভুগছেন। হাসানাতের সঙ্গে খোকন দেখা করতে যাবেন কি না জানতে চাইলে-রুবেল বলেন, ‘এটা ওনার পারিবারিক বিষয়। আমি কিছু বলতে পারব না।’

হাসানাত আবদুল্লাহও ফোন ধরেননি। মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি একেএম জাহাঙ্গীর বলেন, ‘দুই ভাই কী করবেন তা তারাই বলতে পারবেন। তারাই ঠিক করবেন-কবে কোথায় তারা দেখা করবেন।’ জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতাদের কেউ এখনও কেন খোকন সেরনিয়াবাতের সঙ্গে দেখা করেননি-এমন প্রশ্নের উত্তরে জাহাঙ্গীর আরও বলেন, আমরা তাকে অভিনন্দন জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছি। খুব শিগগিরই সাদিক আবদুল্লাহ বরিশালে আসবেন। এরপর মহানগর কমিটির সবাই মিলে নতুন মেয়রকে অভিনন্দন জানাব। কবে আসছেন সাদিক জানতে চাইলে তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী দেশে আসার পর নির্ধারণ হবে তার সফরসূচি। তবে এটা নিশ্চিত-তিনি আসছেন এবং আমরা সবাই মিলে নতুন মেয়রের কাছে যাব।-সূত্রঃ যুগান্তর

 

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।