ঢাকাসোমবার , ১২ জুন ২০২৩
  1. 1
  2. avi feb
  3. Belugabahis bahis sitesi feb
  4. blackjack-deluxe
  5. bonan feb
  6. casinomhub giris
  7. goo feb
  8. last-news
  9. mars feb
  10. Marsbahisgiris feb
  11. New Post
  12. News
  13. polskie-kasyna
  14. আইন-আদালত
  15. আন্তর্জাতিক

নারী গ্রাহককে আটক রাখার অভিযোগ এনজিও কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে

কে এম তারেক অপু
জুন ১২, ২০২৩ ৪:০৬ অপরাহ্ণ
Link Copied!

সমাচার প্রতিবেদক, তজুমদ্দিন ॥ ভোলার তজুমদ্দিনে পরিবার উন্নয়ন সংস্থার ঋণের কিস্তি দিতে না পারায় নারী সদস্য ও তার স্বামীকে অফিসে আটকিয়ে রাখার অভিযোগ পাওয়া গেছে কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে। পরে স্থানীয়দের সহায়তায় কিস্তির টাকা দেয়ার শর্তে রাত ১০ টায় ছাড়া পান ওই স্বামী স্ত্রী।
অভিযোগ সুত্রে জানা গেছে, উপজেলার শম্ভুপুর ইউনিয়নের শিবপুর গ্রামের আছমা বেগম লিলি মহিলা সমিতির সদস্য হিসেবে পরিবার উন্নয়ন সংস্থা (এফডিএ) থেকে ২০২২ সালের আগষ্ট মাসে এক বছর মেয়াদী ৮০ হাজার টাকা ঋণ গ্রহণ করেন। এক বছরে মোট পরিশোধ করবেন ৯০ হাজার ৭শত ২০ টাকা। শর্তানুযায়ী কিস্তির ৪৮ হাজার পরিশোধ করেন আছমা বেগম। কিন্তু আছমার স্বামীর দোকানে বেচা-কেনা না থাকায় গত ৪মাস কিস্তি দিতে পারেনি। যে কারণে গত ফেব্রুয়ারী মাসে আছমার স্বামী গিয়াস উদ্দিন দোকানে তার ছেলে ফাহাদকে রেখে সে অন্যত্র যায় এসময় পরিবার উন্নয়ন সংস্থার ম্যানেজার ও ফিল্ড অফিসার দোকান থেকে ফাহাদকে বের করে দিয়ে দোকানে তালা মেরে চাবি নিয়ে যায়। একদিন পরে ম্যানেজার ও ফিল্ড অফিসার জিহাদ গিয়াসকে আফিসে আনতে গেলে তাদের মধ্যে ধস্তাধস্তি হয়। পরে স্থানীয়দের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়। এরপর গত ২৮ মে কিস্তির টাকার জন্য জামিনদার সোহেলের হোন্ডার আটক করেন পরিবার উন্নয়ন সংস্থার কর্মিরা। পরে ১০ জুন ২০হাজার টাকা দেয়ার শর্তে সোহেলের হোন্ডা ছেড়ে দেন তারা। গতকাল ১১ জুন আছমার স্বামী গিয়াস উদ্দিনের জায়গা-জমির সমস্যা নিয়ে থানায় শালিশ বৈঠক থাকায় তিনি স্ত্রী আছমাকে ৫ হাজার টাকা দিয়ে বিকাল ৩টায় ছোট ডাওরী মুচি বাড়ির কোনায় পরিবার উন্নয়ন সংস্থার অফিসে পাঠান। আছমা অফিসে যাওয়ার পর ম্যানেজার শাহিন ও ফিল্ড অফিসার জিহাদসহ অন্যরা তার সাথে খারাপ ব্যবহার করেন এবং তাকে অফিসে আটকিয়ে রাখেন। পরে রাত ৮টায় তার স্বামী গিয়াস শালিস বৈঠক শেষ করে সেখানে গেলে তাকে একটি রুমে আটকিয়ে রেখে তার স্ত্রী ও সমিতির সদস্য আছমাকে ছেড়ে দেয়। পরে আছমা অফিস থেকে বের হয়ে ফোন করলে স্থানীয় দুই সংবাদকর্মি ঘটনাস্থলে উপস্থিত হলে আগামী ২০জুন কিস্তির টাকা দেয়া শর্তে রাত ১০টায় তাদেরকে ছেড়ে দেয় এনজিও কর্মিরা।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে সদস্য আছমা বলেন, আমি ৪৮ হাজার টাকা পরিশোধ করি। বর্তমানে দোকানে বেচ-কেনা না গত ৩মাস যাবত কিস্তির টাকা দিতে পারিনি। তারপরও গতকাল ৫হাজার টাকা দেয়ার পর আমাকে ও আমার স্বামীকে সমিতির স্যারেরা আটকিয়ে রাখেন এবং অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন। পরে ২০ তারিখে টাকা দেয়ার শর্তে রাত ১০ টায় আমাদেরকে ছেড়ে দেন।
গিয়াস উদ্দিন বলেন, জমিজমার শালিস শেষে রাত ৮টায় আমি অফিসে গেলে ম্যানেজারসহ অন্যরা আমাকে একটি রুমে আটকিয়ে রেখে আমার স্ত্রীকে ছেড়ে দেন। এ সময় আমাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে এবং টাকা দিতে চাপ প্রয়োগ করে। পরে রাত ১০টায় টাকা দেয়ার শর্তে ছাড়া পাই।
ছোট ডাওরী মুচি বাড়ির কোনা শাখার ম্যানেজার মোঃ শাহিন বলেন, সোহেলের গাড়ী আমরা আটক করিনি। তিনি নিজেই তার গাড়ী আমাদের অফিসে রেখে গিয়াসকে ফোন করে টাকা দেয়া জন্য। গত ফেব্রুয়ারি মাসে কিস্তির জন্য গেলে গিয়াসউদ্দিন আমাদেরকে তার দোকানে অবরুদ্ধ করেন পরে আমরা সেখান থেকে কোন রকমে চলে আসি। ১১ জুন টাকার জন্য তাদেরকে আটক করা হয়নি জামিনদার সোহেল আসতে দেরী হওয়ায় তারা অফিসে অপেক্ষা করেন।
জামিনদার সোহেল বলেন, আমি অফিসে ঋণ নিতে গেলে ফিল্ড অফিসার জিহাদসহ চা খেতে যাই এ সময় অফিসের লোকজন আছমার কিস্তির টাকার জন্য আমার গাড়ী আটক করেন, পরে ১০ জুন টাকা দেয়ার শর্তে আমার গাড়ী ছেলে দেয়। গতকাল (১১জুন) আমাকে ফোন দেন অফিসে আসার জন্য কিন্তু তাদের আটক রাখার বিষয়ে আমি কিছুই জানি না।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।