ঢাকাশুক্রবার , ১৮ আগস্ট ২০২৩
  1. 1
  2. avi feb
  3. Belugabahis bahis sitesi feb
  4. blackjack-deluxe
  5. bonan feb
  6. casinomhub giris
  7. goo feb
  8. last-news
  9. mars feb
  10. Marsbahisgiris feb
  11. New Post
  12. News
  13. onwin feb
  14. polskie-kasyna
  15. আইন-আদালত

বরিশালে বিদ্যুৎ চাহিদার ৪০ ভাগেরও বেশি ঘাটতি, জনজীবন বিপর্যস্ত

কে এম তারেক অপু
আগস্ট ১৮, ২০২৩ ৫:৪৫ অপরাহ্ণ
Link Copied!

সমাচার প্রতিবেদক ॥ বরিশাল অঞ্চল থেকে আড়াই হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহের পরেও ৫শ’ মেগাওয়াট চাহিদার প্রায় ৪০ ভাগ লোডশেডিংয়ে গত বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হওয়া প্রায় ৬৮ হাজার এইচএসসি পরিক্ষার্থীসহ সাধারণের জনজীবন দুর্বিসহ হয়ে উঠেছে। শিল্প ও ব্যবসা-বাণিজ্যেও চরম বিপর্যয় অব্যাহত আছে। শুধু শিল্প ও ব্যবসা-বাণিজ্যেই দৈনিক ঘাটতির পরিমাণ প্রায় ৫০ কোটি টাকা বলে দাবি ব্যবসায়ী ও শিল্প মালিকদের। গত বুধবার রাতভর লোডশেডিংয়ে পরে শেষরাতে তা প্রত্যাহার হলেও গত বৃহস্পতিবার সকাল পৌণে ৯টা থেকে চাহিদার ৪০ ভাগেরও বেশি ঘাটতি নিয়ে লোডশেডিংয়ে ফিরে আসে বরিশালসহ সমগ্র দক্ষিণাঞ্চলে। ফলে সকাল ১০টায় শুরু হওয়া এইচএসসি পরীক্ষার প্রথম দিনেই বরিশাল শিক্ষা বোর্ডের আওতায় ১৩১টি কেন্দ্রে ৬৮ হাজার পরিক্ষার্থী চরম দুর্ভোগে শিকার হয়। পরীক্ষা শুরুর আগেই সকাল পৌণে ৯টা থেকে বরিশাল মহানগরীসহ সমগ্র দক্ষিণাঞ্চলে চাহিদার ৪০ ভাগেরও বেশি বিদ্যুৎ ছাটাই করে পিজিসিবি’র লোডডেসপাস সেন্টার। ঘাটতি মোকাবিলায় বরিশাল মহানগরীর ৫টি ৩৩/১১ সাব-স্টেশন থেকে মহানগরীসহ সমগ্র জেলা এবং ঝালকাঠীর বিশাল এলাকা ছাড়াও সমগ্র দক্ষিণাঞ্চলেই বিদ্যুৎ ছাটাই শুরু হয়। ফলে সকাল ১০টায় বেশিরভাগ কেন্দ্রেই আধো আলো-অন্ধকারে পরীক্ষা শুরু করতে হয়েছে। সাড়ে ১০টার দিকে কিছু কেন্দ্রে আলো ফিরলেও পৌনে ১২টা থেকে পুনরায় লোডসেডের আওতায় আসে ঐসব পরীক্ষা কেন্দ্রগুলো। ফলে বেশিরভাগ কেন্দ্রের ছাত্র-ছাত্রীকেই দুঃসহ গরমে আধো আলো-অন্ধকারে পরীক্ষা শেষ করতে হয়েছে। বেশিরভাগ পরিক্ষার্থীই ৩৪ ডিগ্রী সেলসিয়াসের গরমে অনেকটাই অসুস্থ হয়ে পরে। একইসাথে লাগাতার লোডশেডিংয়ে বরিশাল মহানগরীসহ সমগ্র দক্ষিণাঞ্চলের প্রায় ১ কোটি মানুষের জীবনেও চরম দুর্ভোগ নেমে আসে। গত বৃহস্পতিবার সকাল ৯টার আগেই দক্ষিণাঞ্চল জুড়ে প্রায় ৪শ’ মেগাওয়াট চাহিদার ৪০ ভাগেরও বেশি বিদ্যুৎ ছাটাই শুরু হয়। নগরীর প্রধান বিদ্যুৎ নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্র, রূপাতলী ৩৩/১১ কেভী সাব-স্টেশনটিতে ডে-পীক আওয়ারে প্রায় ৮৫ মেগাওয়াট চাহিদার বিপরীতে ৪৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহের ফলে জনজীবনে দুর্বিসহ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলোও মুখ থুবড়ে পরে। দুপুর আড়াইটায় এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত নগরীর দপদপিয়া, পলাশপুর, কাশীপুর ও চাঁদমারী ৩৩/১১ কেভী সাব-স্টেশনগুলোতেই একইভাবে বিদ্যুৎ রেশনিং চলছিল। দক্ষিণাঞ্চলের সবগুলো জেলার পরিস্থিতিই ভয়াবহ। তবে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক পাওয়ার গ্রীড কোম্পানীর একটি সূত্রের মতে, শুধু বরিশালই নয়, দক্ষিণাঞ্চলের ৬টি ১৩২/৩৩ কেভী সাব-স্টেশন থেকে ৩৩/১১ কেভী সাব-স্টেশনের মাধ্যমে ৬টি জেলায় যে বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হচ্ছে, সবগুলোতেই চাহিদার প্রায় ৪৫ ভাগ পর্যন্ত ঘাটতি অব্যাহত রয়েছে। পিডিবি’র একটি সূত্রের মতে, বরিশালসহ দক্ষিণাঞ্চলে স্থাপিত সবগুলো পাওয়ার স্টেশনই এখন পূর্ণ উৎপাদনে রয়েছে। ফলে এ অঞ্চল থেকে প্রায় আড়াই হাজার মেগওয়াট বিদ্যুৎ এখন জাতীয় গ্রীডে যুক্ত হলেও জাতীয় গ্রীড থেকে হিস্যা মাফিক বিদ্যুৎ দক্ষিণাঞ্চলে না দেয়ায় চাহিদার প্রায় ৪০-৪৫ ভাগ পর্যন্ত রেশনিং করতে হচ্ছে। চরম ভোগান্তিতে এ অঞ্চলের প্রায় ১ কোটি মানুষ। সূত্রটির মতে, বরিশাল সামিট পাওয়ারের ১১০ মেগাওয়াট, ভোলাতে পিডিবির ২২৫ মেগাওয়াটের কম্বাইন্ড পাওয়ার স্টেশন থেকে ১৯০ মেগাওয়াট ছাড়াও একটি বেসরকারি পাওয়ার স্টেশনের ২২৫ মেগাওয়াট এবং পটুয়াখালীতে ইউনাইটড পাওয়ারের ১৫৫ মেগাওয়াট এবং পায়রা তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ৬৬০ মেগাওয়াটের দুটি ইউনিট থেকে ১ হাজার ৩২০ মেগাওয়াট ও তালতলী তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রে থেকে ৩৫৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রীডে যুক্ত হচ্ছে। এছাড়াও ভোলাতে অপর একটি বেসরকারি উৎপাদন কেন্দ্রের প্রায় ৩০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ দ্বীপ জেলাটি ছাড়াও পটুয়াখালীর কিছু এলাকায় সরবরাহ করা হচ্ছে। কিন্তু দক্ষিণাঞ্চল থেকে প্রায় আড়াই হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রীডে সরবরাহ করা হলেও এ অঞ্চলে অফ-পীক আওয়ারে পৌণে ৪শ’ মেগাওয়াট ও পীক আওয়ারে প্রায় সাড়ে ৪শ’ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হচ্ছে না ‘সেন্ট্রাল লোড ডেসপাস সেন্টার-সিএলডিসি’ থেকে। বিষয়টি নিয়ে ওয়েস্ট জোনের ‘রেজিওনাল লোড ডেসপাস সেন্টার-আরএলডিসি’র সাথে যোগাযোগ করা হলে সেখান থেকে কোনো মন্তব্য করা হয়নি। তবে বিদ্যুৎ ঘাটতির বিষয়টি স্বীকার করেছেন পিজিসিবি এবং ওজোপাডিকো’র দায়িত্বশীল একাধিক সূত্র। এদিকে গত দিন পনেরর মতো বুধবার রাতভর লোডশেডিং-এর পরে গতকাল বৃহস্পতিবার সকাল থেকে বিদ্যুৎ রেশনিং-এর ফলে বরিশাল মহানগরীসহ সমগ্র দক্ষিণাঞ্চলের সাধারণ মানুষসহ শিল্প ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলোও চরম বিপর্যয়ের কবলে। অনেক শিল্প প্রতিষ্ঠানই তিন শিফটে চালু রাখতে পারছে না। এমনকি দুই শিফটে চালু রাখা প্রতিষ্ঠানগুলোও প্রতি শিফটে কয়েক দফায় ঘণ্টার পর ঘণ্টা লোডশেডিংয়ের কারণে শ্রমিকদের বসিয়ে রেখে বেতন দিতে গিয়ে মারাত্মক আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন বলেও অভিযোগ করেছেন।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।