বাউফলের পশ্চিম নওমালা নেছারিয়া ফাজিল মাদ্রাসার প্রভাষকের দুর্নীতি, অনিয়ম ও স্বেচ্ছাচারিতার গোমর ফাঁস।

স্টাফ রিপোর্টার : বিধি মোতাবেক এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে শিক্ষাগত যোগ্যতায় একাধিক তৃতীয় শ্রেণি/বিভাগ গ্রহণযোগ্য নয়। এই বিধির কোন তোয়াক্কা করেন নি পটুয়াখালীর বাউফলের পশ্চিম নওমালা নেছারিয়া ফাজিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ। অফিস ফাইল থেকে জানা গেছে, প্রভাষক মোঃ আবু বকর সরদার দাখিল, আলিম ও ফাজিল পরীক্ষায় ৩য় বিভাগ পেয়ে কৃতিত্বের সাথে উত্তীর্ণ হয়েছেন। বর্তমানে তিনি প্রভাষক কোঠায় ৩৫,৫০০/- বেতনে কর্মরত আছেন। যা চাকুরীবিধি বহির্ভূত। এ ব্যাপারে অধ্যক্ষ মোঃ ইব্রাহীম হাবিব বলেন, আবু বকর সরদার ওই মাদ্রাসার সহকারী পদে আছেন তবে বিষয়টি মাদ্রাসায় গিয়ে ফাইল দেখে জানাব।

এ ব্যাপারে আবু বকর সরদার বলেন, তিনি ১৯৮৯ সনে যোগদান করেছেন তখন সেই বিধিনিষেধ ছিলো না।

উল্লেখ্য, গত ৩০ আগস্ট মাদ্রাসায় অডিটে আসেন। শিক্ষা পরিদর্শক ড. মোঃ দিদারুল জামান ও অডিটর মোঃ সিরাজুল ইসলাম। এরপরই সকল শিক্ষকদের শিক্ষাগত যোগ্যতা জানাজানি হয় এবং কানাঘুষা শুরু হয়। এলাকায় ছাত্র-অভিভাবকদের মধ্যে কৌতুহল জাগে শিক্ষা পরিদর্শক আবু বকর সম্পর্কে কি ব্যবস্থা নেন। এ ব্যাপারে শিক্ষা পরিদর্শক ড. মোঃ দিদারুল জামান জানান, তদন্ত সাপেক্ষে আইন অনুযায়ী ব্যবস্তা নেয়া হবে।

তবে এলাকার সুশীল সমাজ মনে করেন তদন্তপূর্বক সরকারী ভাতাদি বন্ধসহ আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক।